logo
Advertisement

জাতীয় দলে ফেরার লড়াইয়ে সাব্বির, জায়গা পেলেন এইচপিতে

জাতীয় দলে ফেরার লড়াইয়ে সাব্বির, জায়গা পেলেন এইচপিতে
সাব্বির রহমান। পুরোনো ছবি

প্রায় চার বছর ধরে জাতীয় দলের বাইরে সাব্বির রহমান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বশেষ খেলেছেন ২০২২ সালের অক্টোবরে। সরাসরি জাতীয় দলে না হলেও এবার ফেরার পথে নিজেকে প্রমাণের একটি মঞ্চ পাচ্ছেন এই ব্যাটসম্যান। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশের হাই পারফরম্যান্স দলে জায়গা পেয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ১৫ সদস্যের এইচপি দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। দলে সবচেয়ে আলোচিত নাম সাব্বির। তার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে শামীম হোসেন ও আবু হায়দার রনির।

আগামী ৮ থেকে ১০ আগস্ট মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশের এইচপি দল।

২০২২ সালের ৭ অক্টোবর ক্রাইস্টচার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে সর্বশেষ বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠে নেমেছিলেন সাব্বির। সেই ম্যাচে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৮ বলে করেছিলেন ১৪ রান। এরপর আর জাতীয় দলের কোনো সংস্করণেই সুযোগ পাননি তিনি।

বাংলাদেশের হয়ে ১১টি টেস্ট, ৬৬টি ওয়ানডে ও ৪৮টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন সাব্বির। টেস্টে ৪৮১, ওয়ানডেতে ১ হাজার ৩৩৩ এবং টি-টোয়েন্টিতে ৯৭৭ রান রয়েছে তার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার সর্বশেষ ওয়ানডে ২০১৯ সালে এবং সর্বশেষ টেস্ট ২০১৮ সালে।

একসময় বাংলাদেশের সীমিত ওভারের দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন সাব্বির। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের জন্যও পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। তবে ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাব ও মাঠের বাইরের বিভিন্ন বিতর্কের কারণে ধীরে ধীরে জাতীয় দল থেকে ছিটকে পড়েন।

দলে সাব্বিরের সঙ্গে রয়েছেন জিশান আলম, জাওয়াদ আবরার, এস এম মেহরব হাসান, আরিফুল ইসলাম, শামীম হোসেন, মোহাম্মদ রুবেল, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, মোহাম্মদ আব্দুল গাফফার, আবু হায়দার রনি, স্বাধীন ইসলাম, রাকিবুল হাসান, প্রীতম কুমার, মাহফুজুর রহমান রাব্বি ও ইকবাল হোসেন।

বাংলাদেশ এইচপি টি-টোয়েন্টি দল: জিশান আলম, জাওয়াদ আবরার, এস এম মেহরব হাসান, সাব্বির রহমান, আরিফুল ইসলাম, শামীম হোসেন, মোহাম্মদ রুবেল, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, মোহাম্মদ আব্দুল গাফফার, আবু হায়দার রনি, স্বাধীন ইসলাম, রাকিবুল হাসান, প্রীতম কুমার, মাহফুজুর রহমান রাব্বি ও ইকবাল হোসেন।