logo
Advertisement

৫০ দিনে পাঁচ টেস্ট, কঠিন পরীক্ষায় বাংলাদেশ

৫০ দিনে পাঁচ টেস্ট, কঠিন পরীক্ষায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশে টেস্ট দল। ছবি: গেটি ইমেজ

এক টেস্ট শেষ করে আরেকটির প্রস্তুতি নেওয়ার সময়ও মিলবে সামান্য। এর মধ্যে দেশ বদলাতে হবে, খেলতে হবে ওয়ানডেও। অক্টোবর-নভেম্বরে এমন ঠাসা সূচির সামনে বাংলাদেশ, যেখানে ৫০ দিনের মধ্যে পাঁচ টেস্টের জন্য ক্রিকেটারদের সতেজ রাখাই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।

আগামী ৯ অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট দিয়ে শুরু হবে এই ব্যস্ততা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেঞ্চুরিয়ন টেস্টের নির্ধারিত শেষ দিন ২৭ নভেম্বর। ঘোষিত সূচির এই দুই প্রান্ত মিলিয়ে ঠিক ৫০ দিন। এর মধ্যেই ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ।

সবচেয়ে কঠিন সময়টি আসবে সিলেট টেস্টের পর। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৫ নভেম্বর শুরু হতে যাওয়া ম্যাচটি পাঁচ দিন চললে শেষ হবে ৯ নভেম্বর। এরপর ১৫ নভেম্বর জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট। মাঝের পাঁচ দিনেই ভ্রমণ, বিশ্রাম ও নতুন কন্ডিশনে প্রস্তুতি সারতে হবে বাংলাদেশকে।

তার আগেও বিরতি খুব বেশি নেই। আমিরাতে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনাল ২৩ অক্টোবর। বাংলাদেশ সেখানে উঠলে মিরপুরে ২৮ অক্টোবর শুরু হতে যাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের আগে হাতে থাকবে মাত্র চার দিন।

এই সূচি নিয়ে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান শাহরিয়ার নাফীস দেশের ইংরেজি সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টারকে বলেছেন, ‘টেস্টের প্রস্তুতির জন্য সাত থেকে দশ দিন সময় পাওয়া আদর্শ।’

তার ব্যাখ্যা, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা দুই দলের অন্য ব্যস্ততা মিলিয়েই সূচি এমন ঠাসা হয়েছে। ওয়ানডে ও টি–টোয়েন্টিতে এমন পরিস্থিতি আগে এলেও টেস্টে গত চার বছরে এমন অভিজ্ঞতা হয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ব্যস্ততার শুরু অবশ্য সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে জাপানের এশিয়ান গেমস থেকেই। সেখানে বাংলাদেশের টি–টোয়েন্টি দলে রয়েছেন টেস্টের পাঁচজন নিয়মিত ক্রিকেটার। ফলে তাঁদের বিশ্রাম ও এক সংস্করণ থেকে অন্য সংস্করণে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টিও ভাবতে হচ্ছে।

চাপ সামলাতে কয়েকজনকে আগেভাগে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাঠানোর কথা বিবেচনা করছে দল পরিচালনা সংশ্লিষ্টরা। সিলেট টেস্টে খেলবেন না, কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্ট পরিকল্পনায় আছেন, এমন ক্রিকেটারদের সঙ্গে কোচিং দলের একজন সদস্যও যেতে পারেন।

পাঁচ টেস্টের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চারটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। এই ম্যাচগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে খেলোয়াড় ঘুরিয়ে খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ নজর থাকবে পেসারদের ওপর।