logo
Advertisement

টানা পাঁচ ওভারে পাঁচ উইকেট-মেডেন, টেস্টে গ্রিভসের বিশ্বরেকর্ড

টানা পাঁচ ওভারে পাঁচ উইকেট-মেডেন, টেস্টে গ্রিভসের বিশ্বরেকর্ড
জাস্টিন গ্রিভস। ছবি: ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ

আগের ছয় ওভার বল করে দিয়েছিলেন ২৭ রান, পাননি কোনো উইকেট। এরপরই জাস্টিন গ্রিভস এমন এক বোলিং স্পেল উপহার দিলেন, যা টেস্ট ক্রিকেট আগে কখনো দেখেনি। টানা পাঁচ ওভারের প্রতিটিতে কোনো রান না দিয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই অলরাউন্ডার।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ত্রিনিদাদের তারুবায় প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনে কীর্তিটি গড়েছেন গ্রিভস। পাওয়া যাওয়া বল-বল তথ্য অনুযায়ী, টেস্ট ইতিহাসে টানা পাঁচটি উইকেট-মেডেন করা প্রথম বোলার তিনি।

আগের রেকর্ডটি ছিল স্টুয়ার্ট ব্রডের। ২০১৬ সালে জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টানা চারটি উইকেট-মেডেন করেছিলেন ইংল্যান্ডের সাবেক পেসার। সেই রেকর্ডকে এক ধাপ এগিয়ে নিলেন গ্রিভস।

ব্রায়ান লারা ক্রিকেট একাডেমিতে একপর্যায়ে ৩ উইকেটে ২৪৪ রান তুলে শক্ত অবস্থানে ছিল পাকিস্তান। সেঞ্চুরি পূর্ণ করা শান মাসুদ দলকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহ ছাড়িয়ে নেওয়ার পথেই রেখেছিলেন। সেখান থেকেই ম্যাচের চেহারা পাল্টে দেন গ্রিভস।

১০৯ রান করা মাসুদকে ফিরিয়ে ধসের শুরু করেন তিনি। এরপর কোনো রান না দিয়েই আমের জামাল, আলি উসমান ও মোহাম্মদ রিজওয়ানকে তুলে নেন। মধ্যাহ্নবিরতিতে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ২৬৭ রান।

বিরতির পর মোহাম্মদ আব্বাসকে উইকেটকিপারের ক্যাচ বানিয়ে টানা পঞ্চম উইকেট-মেডেন পূর্ণ করেন গ্রিভস। শেষ পর্যন্ত তাঁর বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড়ায় ১১ ওভারে ৬ মেডেন, ২৭ রানে ৫ উইকেট।

১৭তম টেস্ট খেলতে নেমে এটিই গ্রিভসের প্রথম পাঁচ উইকেট। তাঁর স্পেলেই শেষ সাত উইকেট ৩৮ রানের মধ্যে হারিয়ে ২৮২ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের ৩১১ রানের চেয়ে ২৯ রান পিছিয়ে থাকে সফরকারীরা।

দিনের খেলা শেষে গ্রিভস জানান, অধিনায়ক রস্টন চেজ তাঁকে নিজের পরিকল্পনায় স্থির থেকে নিয়ন্ত্রিত বোলিং চালিয়ে যেতে বলেছিলেন। সেই পরিকল্পনার পুরস্কার হিসেবেই উইকেট এসেছে। টেস্টে প্রথম পাঁচ উইকেট পাওয়ায় আনন্দিত হলেও ম্যাচের অনেক কাজ বাকি আছে বলেও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।

গ্রিভসের রেকর্ডের পর অবশ্য বল হাতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান। তৃতীয় দিনের শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেটে ১২৬ রান করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সব মিলিয়ে স্বাগতিকদের লিড ১৫৫ রান।