প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরে সঙ্গী হলেন যারা

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম বিদেশ সফরে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন তিনি। স্থানীয় সময় রোববার (২১ জুন) রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ফ্লাইটটি কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করে। দুপুর পৌনে ৩টায় ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।
তারেক রহমান মালয়েশিয়া পৌঁছানোর পর আগামীকাল সোমবার (২২ জুন) দুপুরের পর কুয়ালালামপুর থেকে রওনা হয়ে চীনের বন্দরনগর দালিয়ানে যাবেন। ২৩ থেকে ২৬ জুন চীন সফর করবেন।
এই সরকারি সফরে তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন তার সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান। এ ছাড়া রয়েছেন ৮ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা।
তারা হলেন—পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদার) রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমির, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার) উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিষয়ক উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার) হুমায়ুন কবির এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক) তানভীর গনি এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কুয়ালালামপুরও। সফর উপলক্ষে বর্ণাঢ্য সাজে সেজেছে কুয়ালালামপুর। পথে পথে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা এবং মালয়েশিয়ার পতাকা শোভা পাচ্ছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে দুই দিনের সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান। সফরকালীন দুই প্রধানমন্ত্রীর একান্ত বৈঠক রয়েছে।
এই সফরে বিশেষ গুরুত্ব পাবে বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু এবং অনিয়মিত কর্মীদের নিয়মিত করা। এ ছাড়া বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা, শিক্ষা সহযোগিতা ও বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।






