logo
Advertisement

নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং হলে জামায়াত আমির নিজের আসন নিয়ে বলতে পারেন: সাহেদ আলম

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং হলে জামায়াত আমির নিজের আসন নিয়ে বলতে পারেন: সাহেদ আলম
সাহেদ আলম। ছবি : সংগৃহীত

সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাহেদ আলম বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মনগড়া।

প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং কোথায় হয়েছে? যদি হয়ে থাকে, তাহলে হয়তো তার নিজের আসনেই হয়েছে। তার সেই সৎ সাহস থাকলে পুরো নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন।

সম্প্রতি এশিয়া পোস্টের ধারাবাহিক অনুষ্ঠান আলাপনে এসে এই মন্তব্য করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, একটি আন্তর্জাতিক ফান্ডেড সংস্থা জানিয়েছে, তারা এমন কোনো একটি ঘটনাও খুঁজে পায়নি, যেখানে বলা যায় নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে। তাহলে এই অভিযোগের ভিত্তি কোথায়? যদি তারা এ দাবি করে, তাহলে নিজেদের আসনের বিষয়টিও উন্মুক্ত করতে হবে।

ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে মূল পার্থক্য কী, এমন প্রশ্নে সাহেদ আলম বলেন, ছাত্রশিবির নিজেদের মেধার সংগঠন বলে দাবি করে, কিন্তু আমি তেমন কোনো মেধার প্রমাণ দেখি না। একজন বিদেশি উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হলো, পরে দেখা গেল তিনি ভুয়া ডিগ্রিধারী। সরকারি চাকরিতে ঢোকার জন্য জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। তাহলে সততা কোথায়? মেধা কোথায়?

তিনি আরও বলেন, এত দিন তারা দূরে ছিল, ফলে তাদের সম্পর্কে একধরনের কল্পনা ছিল। কিন্তু বাস্তব চিত্র সামনে আসার পর দেখা যাচ্ছে সেটি ভিন্ন। যদি তারা পুরোনো সংস্কৃতি ফিরিয়ে এনে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে চায়, তাহলে তারাও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়বে। সক্ষমতা না থাকলে এ ধরনের রাজনীতি টেকসই নয়।

জামায়াত বা এনসিপি নিয়ে আপনার যে চিত্রায়ণ, এর পেছনে কোনো লক্ষ্য ছিল কি না?

এম প্রশ্নে সাহেদ বলেন, লক্ষ্য অবশ্যই ছিল। রাজনীতি হলো বয়ানের খেলা। যখন দেখলাম রাষ্ট্রকে বাঁচাতে হবে, তখন আমাকে এই অবস্থান নিতে হয়েছে। ধর্মের নামে ফ্যাসিবাদে একবার প্রবেশ করলে আগামী ১০০ বছরেও তা সরানো সম্ভব হবে না। ‘নারায়ে তাকবির’ বলে কেউ যখন আপনাকে আঘাত করবে, তখন প্রতিবাদ করার লোক পাবেন না কারণ তারা এটিকে ধর্মযুদ্ধ বানিয়ে ফেলবে। ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার করে মানুষকে ভুল পথে চালানো খুব সহজ।

বিএনপি সরকারের কোনো সমালোচনা আছে কি, এর উত্তরে সাহেদ আলম বলেন, বিএনপি তাদের নিজস্ব সফলতাগুলো তুলে ধরার ক্ষেত্রে খুবই দুর্বল। গত কয়েক মাসে তারা অনেক ভালো কাজ করেছে, যেমন ৬৪ জন ডিসির মধ্যে ১৬ জন নারী এবং নির্বাচনের পর সংখ্যালঘু নির্যাতনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু তারা এগুলো প্রচার করতে পারছে না।