logo
Advertisement

শবেকদরে পড়ার দোয়া, বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

এশিয়া পোস্ট নিউজ
এশিয়া পোস্ট নিউজ
শবেকদরে পড়ার দোয়া, বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

শবেকদর হলো ভাগ্য নির্ধারণের রাত বা মর্যাদার রাত। এ রাতের মূল্য আল্লাহর কাছে হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। এ রাতে আল্লাহ অসংখ্য মানুষকে ক্ষমা করেন। তাদের তওবা কবুল করেন। মনের আশা পূরণ করেন। এ রাতে আল্লাহর বার্তা নিয়ে ফেরেশতারা পৃথিবীতে নেমে আসেন। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি কোরআন অবতীর্ণ করেছি কদরের রাতে। তা সম্পর্কে তুমি কী জান? কদরের রাত হাজারো মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এ রাতে ফেরেশতারা ও রুহ (জিবরাইল আ.) অবতীর্ণ হয় প্রত্যেক কাজে তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে। শান্তি বিরাজ করে ভোর হওয়া পর্যন্ত।’ (সুরা কদর, আয়াত: ১-৫)

কদরের রাত বছরে একবার আসে। বরকতময় এ রাত ইবাদতে কাটানো মুমিন বান্দার ইমানি দায়িত্ব। এ রাতে নামাজ আদায়কারীর জন্য ফেরেশতারা রহমতের দোয়া করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘লাইলাতুল কদরে জিবরাইল (আ.) ফেরেশতাদের বিরাট এক দল নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করেন এবং যত নারী-পুরুষ নামাজরত অথবা জিকিরে মশগুল থাকে, তাদের জন্য রহমতের দোয়া করেন। (শুয়াবুল ইমান, বাইহাকি, ৩৪২১)

এ রাতের ইবাদত হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। এ রাতের নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির ও অন্যান্য আমল হাজার মাস ইবাদতের চেয়ে উত্তম। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘এ রাতের ইবাদত অন্য হাজার মাসের ইবাদতের চেয়ে উত্তম’। (তাফসিরে ইবনে আব্বাস, পৃষ্ঠা : ৬৫৪)।

মহাসৌভাগ্যের এ রাতটি কীভাবে কাটাতে হবে, কীভাবে পাব, কীভাবে সেটাকে আমরা অধিকার করব, এর পথ হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলে দিয়েছেন। এ রাতে নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির এবং বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত। 

 

রাসুলুল্লাহ (সা.) এ রাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া শিখিয়েছেন। আয়েশা (রা.) একবার মহানবী  (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করেন, হে আল্লাহর রাসুল, আমি যদি জানতে পারি আজ কদরের রাত, তাহলে আমি কী দোয়া পড়ব। মহানবী (সা.) বললেন, তুমি বলো—

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউয়ুন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফাফু আন্নি।

  1. অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা পছন্দ করেন। তাই আমাকে ক্ষমা করুন। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৩৫১৩)