logo
Advertisement

তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে লড়বেন হিরো আলম

এশিয়া পোস্ট নিউজ
এশিয়া পোস্ট নিউজ
বগুড়া, রাজশাহী
তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে লড়বেন হিরো আলম

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় উপনির্বাচনে নতুন করে প্রার্থীরা সরব হতে শুরু করেছে। এই কাতারে উঠে এসেছে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলমের নাম।

বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে তিনি আমজনতা দলের হয়ে নয়, বরং অন্য কোনো দলের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান বলে জানিয়েছেন।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে তিনি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায় মনোনয়নপত্রটি জমা দিতে পারেননি। তবে বিএনপির চেয়ারম্যান বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় আসনটিতে আবার নির্বাচন হতে যাচ্ছে। ফলে নতুন করে নির্বাচনের অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন হিরো আলম।

আলোচিত এই ইউটিউবার বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমি নির্বাচন, সংগ্রাম করেছি। মার খেয়েছি। মানুষ কি এগুলো ভুলে গেছে। তখন আমি যদি সংগ্রাম করে নির্বাচনের মাঠে থাকতে পারি, তাহলে এখন কেন করব না। যেহেতু বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন হবে, তাই আমি আবার দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিয়েছি।

আপনি কি জামায়াত জোট অথবা এনসিপির প্রার্থী হচ্ছেন এমন প্রশ্নে হিরো আলম বলেন, এনসিপি কিনা এখনই বলব না। আমজনতা দল তো আছেই। অন্য দলের সঙ্গেও কথা হচ্ছে। আবার জুলাই আন্দোলনে আমি মাঠে থেকেছি। আপনারা চাইলে ইউটিউবে আমার ভিডিও দেখতে পারেন। দেখি কোন দল আমাকে মনোনয়ন দেয়।

কোনো দল মনোনয়ন না দিলে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করবেন বলেও জানান হিরো আলম।

রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা সময়ে নাটকীয় উপস্থিতির কারণে হিরো আলম বরাবরই আলোচনায় থাকেন। ২০২৩ সালে বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন হিরো আলম। তবে দুটি আসনেই পরাজয় হয় তার। পরবর্তীতে ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনেও অংশ নিয়েও পরাজিত হন তিনি। এসব আসনে তাকে হারাতে হয় জামানত।

পরের বছর বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনেও ডাব প্রতীকের প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম জামানত হারিয়েছিলেন।

এর আগেও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বগুড়া-৪ আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন হিরো আলম। যদিও পরে ‘অনিয়মের’ অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।

বগুড়া সদরের এরুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা হিরো আলম শৈশবে চানাচুর বিক্রি করতেন। পরে তিনি সিডি বিক্রি এবং ডিশ সংযোগের ব্যবস্যা শুরু করেন। নিজেই মিউজিক ভিডিও তৈরি করে ডিশ লাইনে সম্প্রচার শুরু করেন। ইউটিউবে প্রায় ৫০০ মিউজিক ভিডিও ছাড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি।