কনটেন্ট ক্রিয়েটর তালেব ভাইজানের ভাতিজার রহস্যজনক মৃত্যু

উত্তরের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর তালেব ভাইজানের ‘ভাতিজা’ হিসেবে পরিচিত সোহাগ ইসলাম ঢাকায় মারা গেছেন। তবে তার কীভাবে মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানতে পারেনি পরিবার।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানান তালেব ভাইজান।
সোহাগ ইসলাম জলঢাকা উপজেলার পশ্চিম বালাগ্রাম ডোলঢিপি পাড়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে।
ফেসবুক পোস্টে তালেব ভাইজান লেখেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আমার ভাতিজা, আপনাদের ভাতিজা। ঢাকায় পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলেন। কীভাবে কী হলো, কেউ জানে না।
এ বিষয়ে তালেব ভাইজান নামে পরিচিত আব্দুল মোতালেব এশিয়া পোস্টকে বলেন, তার পরিবার কিংবা ওই যুবকের পরিবারের কেউ এখনও মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানেন না।
তিনি আরও বলেন, সে স্টেডফাস্ট ঢাকায় চাকরি করত। রাতে সে গলায় ফাঁস দিয়েছিল বলে জানতে পেরেছি। সেখানকার কর্মীরাই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এর বেশি কিছু এখনও জানি না।
আব্দুল মোতালেব বলেন, সে আমার জেঠাতো ভাইয়ের ছেলে। সে সম্পর্কে আমার ভাতিজা হয়। ২০২২ সাল থেকে সে আমার সঙ্গে কাজ শুরু করে। পরে ফেসবুকের আয় কমে যাওয়ায় আমি কাজ কমিয়ে দিই। এরপর জীবিকার তাগিদে সোহাগও ঢাকায় চলে যায়।
এদিকে, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সোহাগ নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে স্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি স্ত্রীকে নিজের ‘বেস্ট লাইফ পার্টনার’ উল্লেখ করে তার সঙ্গে সারাজীবন কাটানোর ইচ্ছার কথা জানান।
এর আগে, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সোহাগের ফেসবুক প্রোফাইলে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে তাকে একটি শোরুমের ডেকোরেশনের কাজ করতে দেখা যায়। পোস্টের ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘আলহামদুলিল্লাহ, ৬ তারিখ উদ্বোধন হবে ইনশাআল্লাহ। অনলাইন-অফলাইন দুই জায়গাতেই সেল হবে। সবাই দোয়া করবেন।’
এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম বলেন, সোহাগের আত্মহত্যার বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। যতদূর জেনেছি, ঘটনাটি ঢাকার।


